সংবাদ শিরোনাম ::
ফুলজোড় নদীর পুনর্জন্ম চান এলাকাবাসী, প্রবাহপথ পুনরুদ্ধার ও দূষণ বন্ধের দাবি রায়গঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ নিয়ে প্রেস কনফারেন্স রায়গঞ্জে নতুন ‘ভূঞাগাতী ইউনিয়ন’ গঠনের প্রস্তাব, গণশুনানিতে মতামত গ্রহণ উল্লাপাড়ায় শহীদ জেহাদের কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা বিশ্ব উরস শরীফ–২০২৭ উপলক্ষে বেলকুচিতে জাকের পার্টির দাওয়াতি ইসলামী জলসা ‘আমি চুরি করে খাই, তবে জায়েজ করে খাই’: চেয়ারম্যানের বক্তব্য ভাইরাল কাজীপুরে যমুনার ভাঙনে নদীগর্ভে অর্ধশত বিঘা ফসলি জমি উল্লাপাড়ায় নৌকা বাইচে সংঘর্ষ, ডুবে গেল দুই প্রতিযোগী নৌকা দুনিয়ার মোহ পেরিয়ে হৃদয়ের কাছে ফেরার গল্প ‘মোহমুক্ত হৃদয়’ শাহজাদপুরে দাম্পত্য কলহের জেরে লাঠির আঘাতে মায়ের কোলে ৯ মাসের শিশুর মৃত্যু

‘আমি চুরি করে খাই, তবে জায়েজ করে খাই’: চেয়ারম্যানের বক্তব্য ভাইরাল

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০২:০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫৬৬ বার পড়া হয়েছে

“আমি চুরি করে খাই, তবে জায়েজ করে খাই” সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরহাদ হোসেন সেখের এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়মের বিষয়ে জানতে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে এ মন্তব্য করেন চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন। পরে ভিডিওটি ভাইরাল হলে এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

 

সোমবার (৭ অক্টোবর) একাত্তর টিভিতে প্রচারিত ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “আমি চুরি করে খাই, তবে জায়েজ করে খাই। তবে যেটুকু চুরি করলে মানুষের ক্ষতি হবে না, সেটুকু চুরি আমি করি। আমি মানুষের ক্ষতি করে কোনো কিছু করা, সেটা আমি করি না। পরিষ্কার কথা। এখানে সবার হক আছে। মেম্বার-চেয়ারম্যানের কি বেতন আছে?”

এর আগে সোমবার সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর চেয়ারম্যানের ওই বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই এটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।

 

চেয়ারম্যানের বক্তব্যে ‘চুরি’ ও ‘জায়েজ করে খাওয়া’ প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা নানা মন্তব্য করছেন। অনেকে জনপ্রতিনিধির এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। কমেন্টবক্সে এক সাংবাদিক বলেন, “তাকে অপসারণ করে অপরাধের দায় স্বীকার করায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

 

মো. ইমাজ উদ্দিন বলেন, “বহুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে এই কথা চরম আপত্তিকর ও দুঃখজনক। এমনভাবে বলার জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বহুলী ইউনিয়নের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য চেয়ারম্যান ফরহাদ সাহেবের জনগণের কাছে সরি বলা জরুরি।”

তবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ এবং নিজের বক্তব্যের বিষয়ে চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেনের কোনো বিবৃতি এখনো পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এরআগেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বিএনপি থেকে বহিস্কার হয়েছিলেন মো. ফরহাদ হোসেন সেখ। ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর ফরহাদ হোসেনের সেই বহিষ্কারাদেশটি প্রত্যাহার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘আমি চুরি করে খাই, তবে জায়েজ করে খাই’: চেয়ারম্যানের বক্তব্য ভাইরাল

আপডেট সময় : ০২:০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

“আমি চুরি করে খাই, তবে জায়েজ করে খাই” সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফরহাদ হোসেন সেখের এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়মের বিষয়ে জানতে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে এ মন্তব্য করেন চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন। পরে ভিডিওটি ভাইরাল হলে এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

 

সোমবার (৭ অক্টোবর) একাত্তর টিভিতে প্রচারিত ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “আমি চুরি করে খাই, তবে জায়েজ করে খাই। তবে যেটুকু চুরি করলে মানুষের ক্ষতি হবে না, সেটুকু চুরি আমি করি। আমি মানুষের ক্ষতি করে কোনো কিছু করা, সেটা আমি করি না। পরিষ্কার কথা। এখানে সবার হক আছে। মেম্বার-চেয়ারম্যানের কি বেতন আছে?”

এর আগে সোমবার সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর চেয়ারম্যানের ওই বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই এটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।

 

চেয়ারম্যানের বক্তব্যে ‘চুরি’ ও ‘জায়েজ করে খাওয়া’ প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা নানা মন্তব্য করছেন। অনেকে জনপ্রতিনিধির এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। কমেন্টবক্সে এক সাংবাদিক বলেন, “তাকে অপসারণ করে অপরাধের দায় স্বীকার করায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

 

মো. ইমাজ উদ্দিন বলেন, “বহুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে এই কথা চরম আপত্তিকর ও দুঃখজনক। এমনভাবে বলার জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বহুলী ইউনিয়নের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য চেয়ারম্যান ফরহাদ সাহেবের জনগণের কাছে সরি বলা জরুরি।”

তবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ এবং নিজের বক্তব্যের বিষয়ে চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেনের কোনো বিবৃতি এখনো পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এরআগেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বিএনপি থেকে বহিস্কার হয়েছিলেন মো. ফরহাদ হোসেন সেখ। ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর ফরহাদ হোসেনের সেই বহিষ্কারাদেশটি প্রত্যাহার করা হয়।